১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গভীর শোক ও বেদনার দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের স্মরণে যথাযোগ্য শ্রদ্ধা, দোয়া মাহফিল ও মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও এতিম কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকরা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতির অন্যতম মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই মানবিক ও জনকল্যাণমুখী আদর্শকে ধারণ করেই এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। রাজপথের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অসহায়, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই রাজনৈতিক আদর্শের বাস্তব প্রতিফলন বলে তারা মনে করেন।
কর্মসূচিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হয়। পরে ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও উচ্চ মাকাম কামনা করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, ১৫ আগস্টের শোক শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রেরণায় রূপান্তর করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হলে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা জরুরি।
কর্মসূচির উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সহ-সভাপতি মো. শাফায়েত হোসেন অভি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মূলকথা ছিল মানুষের কল্যাণ। ১৫ আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা সম্ভব। মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং তাদের মাঝে খাবার বিতরণ তাঁরই মানবিক আদর্শ অনুসরণের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।
তিনি আরও বলেন, রাজপথের সংগ্রামের পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম সার্থকতা হিসেবে দেখতে হবে। দেশের যেকোনো সংকট ও মানুষের প্রয়োজনে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আদর্শকে ধারণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
বিনম্র শ্রদ্ধায়—
মো. শাফায়েত হোসেন অভি
সহ-সভাপতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর